হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ

দ্রুতগতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার জন্য বঙ্গে হাজির করোনার নয়া অবতার

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:- রাজ্যেজুড়ে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগ জনকভাবে বেড়েই চলেছে।দ্বিতীয় ঢেউ যেভাবে আছড়ে পড়েছে রাজ্যে তাতে দীর্ঘ হচ্ছে করোনা আক্রান্ত পরিসংখ্যানের গ্রাফ।করোনার প্রথম ঢেউয়ের তুলনায় যে দ্বিতীয় ঢেউ আরও ভয়াবহ তা দৈনিক রিপোর্টেই প্রকাশিত হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই দ্রুতগতিতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য বঙ্গে খোঁজ পাওয়া গিয়েছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টের । গতবছর সারা বিশ্ব জুড়ে করোনার প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। চিনা স্ট্রেনের কারণে সে কথা সকলেরই জানা।কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আগমনে বিশেষজ্ঞরা অনেকেই আশঙ্কা করেন ভারতের নিজস্ব কোনো করোনা স্ট্রেনের প্রভাব আদেও আছে কি না সেই প্রসঙ্গে।সেই বিষয়ে যদিও গবেষণা শুরু হয়েছে। অবশেষে কেন্দ্রীয় সংস্থা এন আই বি জি এমের গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেখানে দেখা গিয়েছে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে দ্রুতহারে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার জন্য দায়ী বঙ্গের নিজস্ব করোনা ভ্যারিয়েনট।গবেষকরা যার বৈজ্ঞানিক ভাষায় নাম দিয়েছেন B.1.618।যা চিনা করোনা ভাইরাসের থেকেও বেশী ছোঁয়াচে বলেই দাবি করছেন তারা।এর আগে মহারাষ্ট্রে হদিশ পাওয়া গিয়েছিল ডবল মিউটেনট 617 নামক নয়া স্ট্রেনের।তারপরেই বঙ্গে হদিশ মিলল ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েনটের।গবেষণায় রিপোর্টে বলা হয়েছে যে স্পাইক জিনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস মানব দেহে প্রবেশ করে সেই জিনে E484k নামক নয়া স্ট্রেনের পরিবর্তন হয়েছে।যা আগে বিদেশী স্ট্রেন দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ব্রাজিলের করোনা ভ্যারিয়েনটে এই ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল।সেক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল কোভিশিলড ভ্যাকসিন দক্ষিণ আফ্রিকা স্ট্রেনের বিরুদ্ধে কার্যকরী হয়নি।সেই E484k স্ট্রেনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলার ভ্যারিয়েনটেও। মিউটেশেনের ফলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ৭ টি জিনে মোট ১৮ টি পরিবর্তন হয়েছে।এছাড়াও দেখা যাচ্ছে, নয়া ভ্যারিয়েনটে D614G নামক একটি পরিবর্তন পাওয়া গেছে যার জন্য অনেক বেশি ছোঁয়াচে হয়ে উঠেছে এই মারণ ভাইরাস।

রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বিগ্ন প্রকাশ করছে চিকিৎসকমহল। সকলের কাছে ঘুরে ফিরে একটাই প্রশ্ন সামিল হচ্ছে করোনা টিকা গ্রহণ করলেই কি রেহাই পাওয়া যাবে এই ভাইরাসের হাত থেকে?এ বিষয়ে ড.অনির্বান দলুই জানিয়েছেন, “করোনা ভাইরাস বারবার নিজের চরিত্র বদলাতে থাকছে।সারা দেশ জুড়ে সর্বত্র বেড়েই চলেছে করোনার দাপট। তার জন্য দায়ী করা হচ্ছে করোনার নতুন নতুন স্ট্রেন কে। এই সংক্রমণ রুখতে ভ্যাকসিন আদেও কতটা কার্যকরী তার জন্য আমাদের কিছুটা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।তবে যে টিকা আমাদের কাছে এখন বর্তমান রয়েছে তা নিশ্চিতভাবে কিছুটা হলেও আমাদের প্রতিরক্ষা দেবে।কিন্তু নতুন স্ট্রেন থেকে আদেও টিকা আমাদের প্রতিরক্ষা করতে পারবে কি না সে ব্যাপারে এখনই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়”।অর্থাৎ আমাদের এখন একটাই করণীয় ভয় না পেয়ে মোকাবিলা করতে হবে এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *