Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ রাজ্য

জেলে বন্দীদের নিয়ে চিন্তিত বোম্বে হাইকোর্ট

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ :বোম্বে হাইকোর্টের তরফ থেকে বুধবার মহারাষ্ট্র সরকারকে জিজ্ঞেস করা হলো ৪৫ বছরের উর্ধ্বে কাদের কাদের ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এমনিতেই করোনা সংক্রমণে সাধারণ মানুষের অবস্থা খুবই সংকটজনক, এরইমধ্যে যারা জেলে বন্দী রয়েছেন তাদের খবর নেয়ার লোকের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে, এবার তাদের কথা জানতে চাইল বোম্বে হাইকোর্ট।

বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং জিএস কুলকার্নি জেলে বন্দী থাকা প্রত্যেক মানুষদের ভ্যাকসিন নিয়ে একটি পিটিশন পেশ করেছেন। এডভোকেট জেনারেল আশুতোষ কুম্ভকনি একটি তথ্য পেশ করে বলেছেন যে মোট বারোশো আটচল্লিশ জন অ্যাডিশনাল বন্দি রয়েছে যার মধ্যে ১২১ জনকে ইমারজেন্সি প্রয়োজনে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে এবং ১১ জনকে কোভিড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। বোম্বে হাইকোর্ট থেকে বলা হয়েছে, “আমরাও জেলে বন্দী থাকা মানুষদের জন্য চিন্তিত। এমন কোনো ব্যবস্থা কি করা যেতে পারে যেখানে ডাক্তাররা দিনে অন্তত দু ঘন্টা হলেও তাদের চিকিৎসা করতে পারবেন?”

হাইকোর্টের প্রশ্নের উত্তরে এডভোকেট জেনারেল আশুতোষ কুম্ভকনি জানিয়েছেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে রাজ্যের উপর নির্ভর করে। জেল অথরিটি এর ওপর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। যদিও পূর্বে কিছু ডাক্তারদের দিয়ে জেলে বন্দী থাকা মানুষদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হতো কিন্তু বর্তমানে এই করোনা মহামারীর জন্য সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটাই বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।” পরবর্তীতে বোম্বে হাইকোর্টের তরফ থেকেই এডভোকেট জেনারেল আশুতোষ কুম্ভকনিকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে জেলে বন্দী থাকা মানুষদের মধ্যে ৪৫ বছরের উর্ধ্বে যারা তাদের ভ্যাকসিন ব্যবস্থা কে করে দিয়েছে অথবা আদৌ সেটা সম্ভব হয়েছে কিনা।

স্কুল অফ সোশ্যাল ওয়ার্ক এন্ড টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সাইন্স এর অধ্যাপক বিজয় রাঘাবন বোম্বে হাইকোর্ট কে বলেছেন কল্যাণ, ব্যাকুলা, তালোজা এবং আর্থার জেল থেকে বন্দীদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে জে. জে. হাসপাতালে যদিও বোম্বে হাইকোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে জেলে বন্দী থাকা মানুষদের চিকিৎসা নিয়ে যে আইন জারি আছে সেটির সংশোধন করা প্রয়োজন এবং বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময় তাদেরকে সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো জরুরি বলেই মনে হয়।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *