হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে দেশ

দুটো কোভিশিল্ডের ব্যবধানে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানালো অ্যস্ট্রাজেনেকার প্রধান পর্যবেক্ষক

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের বারো থেকে ষোলো সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ দিলে কোনো অসুবিধা হবে না জানিয়ে দিল অ্যস্ট্রাজেনেকার শীর্ষ বিশেষজ্ঞ।

গত ১৩ই মে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের ব্যবধান বাড়িয়ে বারো থেকে ষোলো সপ্তাহ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। অর্থাৎ ভারতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার ৯৬ থেকে ১১৪ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারেন প্রত্যেকেই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা ছিল দেশে টিকার আকাল সামাল দিতেই ভ্যাকসিনের দুটো ডোজের ব্যবধান বাড়িয়েছে কেন্দ্র। তাই ব্যবধান কমলে বা বাড়লে কোনো ক্ষতি হবে কিনা সেই নিয়ে সাধারণ মানুষদের চিন্তার শেষ নেই। ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রধান তদন্তকারী সংস্থা অ্যস্ট্রাজেনেকা বলেছে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ সরবরাহের সুরক্ষার মাত্রা দ্বিতীয় ডোজে যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন ব্রিটেন এবং ভারতের টিকাকরণের পদ্ধতি তুলনা করার কোনো মানে হয় না। ভারতের জনসংখ্যা যথেষ্ট বেশি, তাই টিকাকরণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। প্রথমে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের দুটো ডোজের মধ্যে ব্যবধান ছিল চার থেকে ছয় সপ্তাহ। পরবর্তীতে তা বৃদ্ধি পেয়ে করা হয়েছে বারো থেকে ষোলো সপ্তাহ। পোলার্ড মনে করেন ভারত সরকারের উচিত যারা এখনও টিকা পাননি তাদের অসুস্থতায় দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়া, কারণ ভারতে এখনো বহু মানুষ টিকা পাননি এবং তারা অসুরক্ষিত। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের মত জনবহুল দেশে যে টিকাকরণ নীতিতে সবচেয়ে দ্রুত বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে সেটি বেছে নেওয়াই শ্রেয়, তাতে অন্তত পক্ষে প্রত্যেকেই প্রথম দশটি পেয়ে যাবেন। তবে করোনা থেকে রেহাই পেতে টিকাকরণ যে একমাত্র অস্ত্র তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *