হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ রাজ্য

ভারতীয় ঔপন্যাসিক লক্ষ্মীনন্দন বড়ার জীবনাবসান

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ :অন্ধ্র ইউনিভার্সিটি থেকে মেটেরিওলজিতে প্রথম ডক্টরেট প্রাপ্ত ব্যক্তি লক্ষ্মীনন্দন বড়া একানব্বই বছর বয়সে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ভারতীয় উপন্যাসিক এবং ছোট গল্প লেখাক হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল। প্রায় ৬০ এর বেশি বই তিনি লিখেছেন যার মধ্যে “পাতাল ভৈরবী” এবং “কায়াকল্প” অন্যতম। গত বৃহস্পতিবার ৩রা জুন আসামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন, এছাড়াও এক সপ্তাহ আগে তার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

আসামের গভর্নর জগদীশ মুখী এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা তার মারা যাওয়ায় শোক প্রকাশ করেছেন। লক্ষ্মীনন্দন বড়া তাঁর উপন্যাস “পাতাল ভৈরবী” এর জন্যে ১৯৮৮ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। ভারত সরকারের তরফ থেকে ২০১৫ সালে তিনি পদ্মশ্রী পান। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দা সনোয়াল শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন “তাঁর মৃত্যু সাহিত্যের জগতে অপূরণীয় ক্ষতি।

” তিনি “কায়াকল্প” নামের একটি উপন্যাস লেখার জন্য ২০০৮ সালে তিনি সরস্বতী সম্মান পুরস্কারে ভূষিত হন। অন্ধ্র ইউনিভার্সিটি থেকে মেটেরিওলজি বিষয়ে প্রথম পিএইচডি বা ডক্টরেট প্রাপ্ত ব্যক্তি লক্ষ্মীনন্দন বড়া। জার্মানির জোহানেস গুটেনবার্গ ইউনিভার্সিটিতে তিনি বহুকাল প্রফেসর হিসেবে পড়িয়ে এসেছেন। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আসামের সাহিত্য সভার প্রেসিডেন্ট পদে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি আসামের দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করে এসেছেন। আসামের একটি মান্থলি ম্যাগাজিন ‘গরীয়সী’ এর সমস্ত কাজ প্রধানত তিনিই দেখতেন।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *